যে কোন আইনগত কাজে সাহায্য প্রদান করায় আমাদের লক্ষ্য।


Wednesday, November 30, 2022

ব্যাংক চেক ডিজঅনার মামলা করতে পারবে না: হাইকোর্ট

 


এখন থেকে কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান ঋণ আদায়ের জন্য কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে চেক ডিজঅনার মামলা করতে পারবে না বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট।

 

ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান ঋণ আদায়ের জন্য শুধু ২০০৩ সালের অর্থঋণ আইনের বর্ণিত উপায়ে অর্থঋণ আদালতে মামলা করতে পারবে। পাশাপাশি বর্তমানে আদালতে চলমান ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের দায়ের করা সব চেক ডিজঅনার মামলার কার্যক্রম বন্ধ থাকবে বলে রায়ে বলা হয়েছে।


সম্প্রতি হাইকোর্ট চেকের মামলায় কারাগারে পাঠানো সংবিধান পরিপন্থী বলেছেন৷ আইনটি পরিবর্তনের জন্য জাতীয় সংসদকে ব্যবস্থা নিতে বলেছেন৷
মঙ্গলবার রাষ্ট্রপক্ষের আপিলে হাইকোর্টের রায় স্থগিত করেছেন চেম্বার জজ৷ ১৪ নভেম্বর আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে মামলাটি পাঠানোর আদেশ দেয়া হয়েছে৷ মামলাটি তাই এখনো চলমান৷ কিন্তু হাইকোর্টের এই রায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে৷ এই নিয়ে আইনজীবীরা পক্ষে বিপক্ষে কথা বলছেন৷

রায়ে আদালত বলেছেন, ব্যাংকঋণের বিপরীতে যে চেক নিচ্ছে সেটি জামানত। এটি বিনিময়যোগ্য দলিল নয়। জামানত হিসেবে রাখা সেই চেক দিয়ে চেক ডিজঅনার মামলা করা যাবে না।

আদালত বলেন, ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ একটি চুক্তির মাধ্যমে নেওয়া হয়ে থাকে। ব্যাংকের কিছু দুর্নীতিবাজ, অসাধু কর্মকর্তা নিজেদের স্বার্থে, তাদের গোপন এজেন্ডা বাস্তবায়নে চেকের অপব্যবহার করে মামলা করে থাকে। তাদের ব্যবহার দাদন ব্যবসায়ীদের মতো।

আদালত বলেন, ঋণের বিপরীতে ব্ল্যাংক চেক নেওয়াটাই বেআইনি। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো দীর্ঘদিন ধরে এই বেআইনি কাজ করে আসছে।

রায়ে হাইকোর্ট নিম্নআদালতের প্রতি নির্দেশনা দিয়ে বলেন, আজ থেকে কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান যদি চেক ডিজঅনার মামলা করে তা হলে আদালত তা সরাসরি খারিজ করে দেবেন। একই সঙ্গে তাদের ঋণ আদায়ের জন্য অর্থঋণ আদালতে পাঠিয়ে দেবেন।













Wednesday, November 27, 2019

আসামিদের কাছে আইএস এর টুপি কিভাবে আসলো?


গুলশানের হলি আর্টিজান মামলার রায়ের সাথে সাথে আলোচনায় উঠে এসেছে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আসলাম হোসেন ওরফে র‌্যাশের মাথায় ইসলামী জঙ্গি সংগঠন আইএস-এর প্রতীক সম্বলিত টুপি। এত নিরাপত্তার মধ্যেও আসলামসহ দু’জন আসামির কাছে টুপিটি গেলো কীভাবে সেটা নিয়ে প্রশ্ন, উদ্বেগ খোদ মন্ত্রী, রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীদের ও সাধারণ মানুষের মাঝে।
সূত্র জানায়, এর আগেও শুনানির সময় হামলাকারী জঙ্গিদের তথাকথিত ধর্মীয় প্রশিক্ষক রিগ্যান কালো টুপি পরে আসতেন। কিন্তু, সেসব টুপিতে আইএসের কোনো লোগো ছিলো না।
বুধবার (২৭ নভেম্বর) দুপুরে ঘোষিত রায়ে আট আসামির মধ্যে সাতজনের মৃত্যুদণ্ড দেন আদালত। খালাস দেন একজনকে। রায় ঘোষণার পরপরই আসামিরা এজলাসের মধ্যেই চিৎকার-চেঁচামেচি ও অকথ্য ভাষায় কথা বলতে থাকে। আল্লাহ হু আকবর , আল্লাহ হু আকবর বলতে থাকে।
আদালত ভবনের পাঁচতলার এজলাস থেকে লিফটে নামার সময় আসামি আসলাম হোসেন ওরফে র‌্যাশের মাথায় ইসলামী জঙ্গি সংগঠন আইএস এর প্রতীক সম্বলিত টুপি দেখা যায়। তবে কেউ কেউ বলছেন এই টুপি তিনি এজলাসে থাকতেই পরেছেন। পরে প্রিজনভ্যানের মধ্যে আরেক আসামি রাজীব গান্ধীর মাথায়ও একই টুপি দেখা যায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকালে আদালতে আনার সময় কারো মাথায় এমন টুপি ছিলো না। আদালত থেকে বের হওয়ার সময় রাকিবুলের মাথায় এই টুপি দেখা যায়। কারাগার থেকে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে আনা এসব জঙ্গিরা আইএসের প্রতীক সম্বলিত টুপি কোথায় পেলো, তা নিয়ে উপস্থিত সবার মধ্যে বিস্ময় ও প্রশ্ন তৈরি হয়।
আসামিরা কারাগার থেকে এ টুপি নিয়ে এসেছেন, না কী আদালতে আনার সময় বা আনার পর কোনোভাবে তাদের কাছে এই টুপি এসেছে- এ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়।

মহানগর দায়রা জজের নিচতলার গারদের দায়িত্বরত পুলিশ পরিদর্শক হারুনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আসামিদের চেক করা হয়, তাদের কাছে ছুরি-চাকু বা বিস্ফোরক জাতীয় কিছু আছে কিনা। তাদের কাছে টুপি থাকলে, কিংবা টুপির মধ্যে কী লেখা আছে এটা বোঝা সম্ভব নয়।
এখন সবার প্রশ্ন, তাহলে টুপিটি কে সরবরাহ করলো আর কীভাবে তারা পেল। এ রহস্য এখনও উদঘাটন হয়নি।
কারা মহাপরিদর্শক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুস্তাফা কামাল পাশা বলেন, “অতিরিক্ত কারা পরিদর্শকের নেতৃত্বে তিন-সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী পাঁচদিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।”
কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট প্রধান মনিরুল ইসলাম বলেন, “এই টুপিগুলো আইএস তৈরি করে না। আমরা ঘটনাটি খতিয়ে দেখছি।”

Monday, November 25, 2019

পুলিশ বাসায় আসলে কি করবেন


পুলিশ বিনা নোটিশে যে কোন কারনে বাসায় আসতে পারে, যেমন যদি কোন ব্যাক্তির বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা হয়, তখন আসামি গ্রেফতারের উদ্যেশে পুলিশ আপনার বাসায় যেতে পারে ।কেউ জিডি করলেও তদন্তের জন্য বাসায় পুলিশ আসতে পারে।এছাড়াও কোন মামলার পলাতক আসামিকে খুজে বের করতে আসামির বাড়িতে পুলিশ তল্লাশি করতে পারে। তবে পুলিশ যদি ওয়ারেন্ট আছে বলে তাহলে ওয়ারেন্টের কপি দেখার অধিকার আপনার আছে।
বাসাবাড়িতে পুলিশ এলে ভয় না পেয়ে বা বিরোধীতা না করে সহযোগীতা করার বিধান রয়েছে বাংলাদেশর আইনে আর সময় তল্লাশির নামে যাতে হয়রানি করা না হয় সেজন্যেও সুস্পষ্ট আইনের বিধান রয়েছে বাসাবাড়িতে পুলিশ এলে যদি সন্দ্যেহ হয় তহলে আগে যুক্তি সঙ্গত সময়ের মধ্যে তাদের অপেক্ষা করতে বলে কাছের থানায় ফোন করে নিশ্চিত হয়ে নিতে পারেন  যে আসলে ওই থানা থেকে কোন পুলিশ পাঠানো হয়েছে  কিনা তাই আপনি যেখানেই থাকুন না কেন স্থানীয় পুলিশের নাম্বারটি আপনার ফোনে থাকা বা সংগ্রহে থাকা অবশ্যই জরুরি
যদি কে নিজেকে আপনার কাছে পুলিশের পরিচয় দেয় আর তাতে যদি আপনার সন্দেহ হয় তাহলে আপনি তার কাছে তার পরিচয় পত্র বা প্রমান পত্র দেখতে চাইতে পারেন আইনে এইরকম বলা আছে।

পুলিশ সুনিদিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে চাইলে তল্লাশি করতে পারে কোর্ট থেকে ম্যাজিস্ট্রেট যদি কোন ব্যাক্তির বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট জারি করে তাহলে পুলিশ উক্ত ব্যাক্তি বা বস্তুর সন্ধানে আপনার বাড়িতে তল্লাশি করতে পারে কিন্তু সেক্ষেত্রে ওয়ারেন্ট কৃত ব্যাক্তির বিরুদ্ধে যে ওয়ারেন্ট নামা থাকবে তা পুলিশ তাদের সাথে করে নিয়ে আসবে এবং তা আসামি ধরে নেয়ার সময় কেউ দেখতে চাইলে পুলিশ কর্মকর্তা তা দেখাতে বাধ্য থাকবে আইন অন্যযায়ী অপরিচিত  যে কে হোক না সে পুলিশ কারও সয়ন কক্ষে হুট করে  ঢুকতে পারবে না এজন্য অবশ্যই আগে অনুমতি নিতে হবে সেক্ষেত্রেও  পুলিশ যদি ওয়ারেন্ট আছে বলে তাহলে ওয়ারেন্টের কপি দেখার অধিকার আপনার থাকবে এছারা পুলিশ যদি উক্ত সয়ক কক্ষে তল্লাশি চালাতে চায় তবে ঘরের মালিক সেখানে উপস্থিত থাকতে পারবেন  
ফোজদারি কার্যবিধী ১০২ ধারা অনুযায়ী কোন ঘর, জায়গার, বা পুলিশের সন্দেহ কৃত স্থানে  উল্লেখেত ব্যাক্তি পুলিশকে সেখানে তল্লাশি করার অনুমতি দিতে বাধ্য থাকবে কিন্তু যদি ঘর বা বাসাবাড়ী হয় সেক্ষেত্রে দুজন প্রাপ্ত বয়স্ক সাক্ষির উপস্থিতিতে পুলিশ সেখানে তল্লাশি করবেন এছারাও ১০৩ ধারা অনুযায়ী পুলিশ কোন আবদ্ধ জায়গায় কোন কিছু পেলে তা তারা নির্ধারিত ফর্মে তালিকা করে নিবেন। ক্ষেত্রে তালিকার অতিরক্ত কিছু নিতে পারবেন না আর পুলিশ সেই লিষ্টে কি কি লিখেছেন তা ভালো করে যাচাই করে নিবেন এবং উক্ত স্থানে উপস্থিত সাক্ষি মালিকের সাক্ষর করে নিতে হবে  এবং সেই লিস্টের একটা কপি মালিককে দিয়ে যেতে বাধ্য থাকবে যে বস্তুর সন্ধানে পুলিশ তল্লাশি করবেন উক্ত স্থানের আশেপাশেও পুলিশ তল্লাশি করতে পারবে কোন ব্যাক্তি দেহে লুকিয়ে রেখেছে বলে সন্দেহ হলে পুলিশ তার দেহেও তল্লাশি করতে পারবেন এরূপ ব্যাক্তি স্ত্রী লোক হলে ৫২ ধারার নির্দেশনাবলি অনুশরন করতে হবে ৫২ ধারা অনুযায়ী স্ত্রী লোককে অবশ্যই মহিলা পুলিশ দিয়ে দেহ তল্লাশি করতে হবে সেখানে মহিলা পুলিশ না থাকলে স্থানীয় কোন মহিলা দিয়ে পূর্ন সালিনতার সহিত তার দেহ তল্লাশি করতে হবে আর তা করতে হবে সাক্ষিদের উপস্থিতিতে ফৌজদারি কার্যবিধি ১০৩ () ধারা অনুযায়ী তল্লাশি চালানোর আগে, প্রস্তুত অফিসার বা অন্যকোন ব্যাক্তি যে স্থানে তাল্লাশি চালানো হবে সেই এলাকায় দুই বা ততোধীক অধিবাসিকে তল্লাশিতে হাজির থাকা সাক্ষি হিসেবে আহব্বান জানাতে হবে
১০৩ ধারা অনুযায়ী সাক্ষিদের উপস্থিতিতে তল্লাশি চালাতে হবে সময় উক্ত অফিসার বা অন্য কোন ব্যাক্তি তল্লাশির সময় জ্বব্দ কৃত সমস্ত জিনিস এবং যে জায়গায় ওই জিনিষ গুলি পাওয়া গেছে তার একটি তালিকা প্রস্তুত করবেন সে তালিকায় উক্ত সাক্ষিরা সাক্ষর করবেন  বিশেষ ভাবে সমন জারি করা না হলে উক্ত সাক্ষিদের আদালতে উপস্থিত হওয়ার প্রয়োজন হবে না কিন্তু তল্লাশি স্থানের দখল দার উপস্থিত থাকতে পারবেন
১০৩ এর ধারা () অন্যযায়ী তল্লাশির সময় তল্লাশিস্থানের দখলদার বা তার ক্ষেত্রে অন্য কোন ব্যাক্তিকে প্রত্যেকটি ক্ষেত্রে তল্লাসির সময় হাজির থাকার অনুমতি দিতে হবে
এধরনের নিয়ম কানুন না মেনে পুলিশ যদি আপনার ঘরে ঢুকতে চায় ? কিংবা তল্লাশি করতে চায়? তাহলে বুঝতে পারবেন তাদের ভিতরে হয়ত কোন অসৎ উদেশ্য আছে সেক্ষেত্রে অবশ্যই আপনাকে সচ্ছার হতে হবে প্রয়োজনে এলাকাবাসী অথবা পরিচিতজনদের সাহায্য চাইতে হবে
আমাদের পরামর্শ থাকবে যদি এই ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হয় তাহলে সম্ভব হলে পূরো প্রক্রিয়া ভিডিও করে রাখবেন যদি ভিডিও করা সম্ভব না হয় তাহলে ভয়েস রেকর্ড করে রাখতে পারেন। একা থাকলে অবশ্যই বন্ধু-বান্ধব বা পরিচিতজনদের ফোন করে জানিয়ে দেয়ার চেষ্টা করবেন আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে  যতটুকু সম্ভব ভাল ব্যবহারের চেষ্টা করুন সে সময় সম্ভব হলে তাদেরকে আপনি আপনার আইনি অধিকারের কথা স্মরণ করিয়ে দিন


Popular Posts