যে কোন আইনগত কাজে সাহায্য প্রদান করায় আমাদের লক্ষ্য।


Showing posts with label Random. Show all posts
Showing posts with label Random. Show all posts

Wednesday, February 5, 2025

এফিডেভিট (Affidavit) করে এনআইডি-তে নাম সংশোধন



 এফিডেভিট (Affidavit) করে এনআইডি-তে নাম সংশোধনের পদ্ধতি:

যদি আপনার এনআইডি কার্ডের নামের ভুল সংশোধনের জন্য কোনো শিক্ষাগত সনদ, জন্ম নিবন্ধন সনদ, বা অন্য সরকারি নথিতে সঠিক নাম না থাকে, তবে আদালতে এফিডেভিট করে নাম সংশোধন করা যেতে পারে। নিচে ধাপে ধাপে প্রক্রিয়া দেওয়া হলো—

ধাপে ধাপে এফিডেভিট করে নাম সংশোধনের নিয়ম:

১. আ্যডভোকেটের মাধ্যমে এফিডেভিট তৈরি করুন

আপনার এলাকার  অ্যাডভোকেট নোটারি পাবলিক (Notary Public) এর কাছে গিয়ে নাম সংশোধনের এফিডেভিট তৈরি করতে হবে।

✅ এফিডেভিটে যা থাকতে হবে:
 • আপনার পুরাতন ভুল নাম এবং সঠিক নতুন নাম
 • ভুল নামের কারণে যেসব সমস্যা হচ্ছে, তা উল্লেখ করা
 • আপনার এনআইডি নম্বর, জন্ম তারিখ, ঠিকানা ইত্যাদি তথ্য
 • এটি আপনার নিজের দেওয়া হলফনামা হবে, যেখানে আপনি সঠিক নাম ব্যবহার করতে চান বলে ঘোষণা করবেন

✅ কোথায় এফিডেভিট করতে হয়?
 • নোটারি পাবলিক (যেকোনো আদালতে)
 • সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে

২. অনলাইনে আবেদন করুন:

আপনার এনআইডি সংশোধনের জন্য প্রথমে জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন পোর্টালে আবেদন করতে হবে—

🔹 ওয়েবসাইট: services.nidw.gov.bd
🔹 ধাপ:
 1. ওয়েবসাইটে “Apply for Correction” অপশনে ক্লিক করুন।
 2. আপনার ১৭-সংখ্যার এনআইডি নম্বর ও জন্মতারিখ দিয়ে লগইন করুন।
 3. মোবাইলে আসা OTP কোড দিয়ে ভেরিফাই করুন।
 4. সংশোধন করতে চাওয়া “নাম” অপশন সিলেক্ট করুন।
 5. সঠিক তথ্য দিন এবং প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট আপলোড করুন।

৩.  প্রয়োজনীয় কাগজপত্র (Documents Required):

✅ সঠিক নামের প্রমাণ হিসেবে যেকোনো একটি নথি:
 • জন্ম নিবন্ধন সনদ
 • শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ (এসএসসি, এইচএসসি, বা সমমান)
 • পাসপোর্ট (যদি থাকে)
 • আদালতের এফিডেভিট (যদি প্রয়োজন হয়)

✅ অন্যান্য প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট:
 • বিদ্যমান এনআইডি কার্ডের কপি
 • আবেদনকারীর ছবি (প্রয়োজনে)

৪.  আবেদন ফি প্রদান:

✅ সাধারণ নাম সংশোধনের জন্য ফি: ২৩০ টাকা
✅ আর্জেন্ট (জরুরি) সংশোধনের জন্য ফি: ৩৪৫ টাকা

ফি প্রদান করতে পারবেন নগদ, বিকাশ, রকেট, অথবা ব্যাংক মাধ্যমে।

৫. অফিসে গিয়ে বায়োমেট্রিক ভেরিফিকেশন দিন (যদি প্রয়োজন হয়):

আবেদনের পর নির্বাচন কমিশনের সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা অফিসে গিয়ে বায়োমেট্রিক ভেরিফিকেশন এবং আসল কাগজপত্র জমা দিতে হতে পারে।

৬. সংশোধিত এনআইডি সংগ্রহ করুন:

সংশোধনের অনুমোদন হয়ে গেলে ওয়েবসাইট থেকে নতুন এনআইডি কার্ড ডাউনলোড করতে পারবেন।

কত দিনে সংশোধন হবে?

সাধারণত ১৫-৩০ কর্মদিবসের মধ্যে সংশোধন হয়ে যায়। তবে জরুরি আবেদন করলে ৭-১০ দিনের মধ্যে পেয়ে যেতে পারেন।

আপনার প্রয়োজনে আরো বিস্তারিত তথ্যের জন্য নির্বাচন কমিশন অফিসে (EC Office) যোগাযোগ করতে পারেন।

Friday, May 10, 2024

পাওনা টাকা কিভাবে আদায় করবেন।


পাওনা টাকা আদায়ের আইনগত কৌশল:

লিগ্যাল নোটিশ : পাওনা টাকা আদায়ে প্রাথমিকভাবে আপনি আইনজীবীর মাধ্যমে লিগ্যাল নোটিশ পাঠিয়ে নির্দিষ্ট সময় দিয়ে আপনার পাওনা টাকা চাইতে পারেন। 

পাওনা টাকা ফেরত না দিলে দেওয়ানি ও ফৌজদারি উভয় আদালতেই আশ্রয় নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। দেওয়ানি আদালতের আশ্রয় নিতে হলে মানি মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে। তবে এক্ষেত্রে দাবি করা টাকার অনুপাতে কোর্ট ফি দাখিল করতে হয়। 

ফৌজদারি আদালতে আশ্রয় নিতে হলে প্রতারণা এবং অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগ এনে সিআর (নালিশি) মামলা দায়ের করা যায়। এছাড়া থানায় এজাহার হিসেবেও মামলা দায়েরের সুযোগ রয়েছে। আদালতে সরাসরি মামলা দায়ের করলে আদালত জবানবন্দি নিয়ে সরাসরি সমন বা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করতে পারেন। অনেক ক্ষেত্রে সরাসরি আমলে না নিয়ে পুলিশ বা অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানকে প্রাথমিকভাবে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলতে পারে। এ প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে আদালত আমল গ্রহণ করে আদেশ দেন। ফৌজদারি আদালতে মামলা হলে দায়ী ব্যক্তি জামিন না-ও পেতে পারেন। অনেক সময় দেখা যায়, দেনাদার টাকা পরিশোধ করার সময় চেকে প্রদান করে থাকেন কিন্তু চেকটি ব্যাংকে নগদায়নের জন্য জমা দিলে চেকটি ডিজঅনার হয়। সে ক্ষেত্রে তাঁর বিরুদ্ধে চেক ডিজঅনারের অভিযোগে মামলা দায়ের করার সুযোগ রয়েছে।

টাকা ধার দেওয়ার সময় যা করবেন :

প্রয়োজনে যদি টাকা ধার দিতেই হয়, তাহলে যতই আপনজন হোক না কেন, তাঁর সঙ্গে আপনি একটি লিখিত চুক্তি করে নিন। ৩০০ টাকার নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে একটি চুক্তি করে নিন এবং এই চুক্তিতে কী কারণে কত টাকা ধার দিলেন, তা স্পস্ট করে উল্লেখ করতে হবে। কবে অপর পক্ষ টাকা ফেরত দেবে এবং পুরোটা একসঙ্গে না কিস্তিতে পরিশোধ করবে, তা উল্লেখ করতে হবে। যদি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে টাকা ফেরত না দেয়, তবে তাঁর বিরুদ্ধে আইনি আশ্রয় নেওয়ার সুযোগ থাকবে। বিষয়টা স্ট্যাম্প কাগজে উল্লেখ করা দরকার। মনে রাখতে হবে, চুক্তিপত্রটি যেন আইন অনুযায়ী সম্পাদিত হয়। এছাড়া চুক্তিটি নোটারি বা প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট দ্বারা সত্যায়িত করে নিতে হবে। চুক্তিপত্র সম্পাদনের সময় সাক্ষী হিসেবে রাখুন কয়েকজনকে। নির্দিষ্ট পরিমান টাকা উল্লেখ করে তার নিজের সাক্ষর করা একটি ব্যাংক চেক ও রাখতে পারেন।

স্থানীয় শালিশ বিচারের আশ্রয় :

আপনি এ ব্যপারে প্রথমে গ্রাম্য আদালতে অভিযোগ করবেন কিংবা এলাকার মাতব্বর/মুরুব্বীদেরকে জানিয়ে তাদের আপনার বৈধ কাগজ দেখিয়ে পাওনা টাকা আদায়ের দেয়ার আহ্বান করতে পারেন। এক্ষেত্রে গ্রাম্য আদালত কিংবা মাতব্বর/মুরুব্বীরা আপনাকে এবং পাওনাদারকে ডেকে বৈঠকের মাধ্যমে একটি সিদ্ধান্তে আসতে পারেন। তবে অনেক ক্ষেত্রেই যারা প্রভাবশালী, তার প্রভাবের কাছে স্থানীয় বিচার টিকেনা, এক্ষেত্রে যদি বৈঠকের সিদ্ধান্ত আপনার পক্ষে না যায় তবে হতাশ হবেন না। আপনার উপর কেউ কোন সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দিতে পারবে না। বৈঠকের সিদ্ধান্ত আপনি যদি না মানেন তবে তাদের পরিষ্কার করে বলে দিবেন যে আমি আপনাদের সিদ্ধান্তে খুশি হতে পারছিনা ফলে আমি আদালতে আইনের শরণাপন্ন হবেন। আইন ও আদালত আপনার পাওনা টাকা ফিরে পেতে আপনাকে যথেষ্ট প্রতিকার দিচ্ছে। এক্ষেত্রে আপনি ফৌজদারী আদালত অথবা দেওয়ানী আদালত দুই আদালতেই আপনার পাওনা টাকা ফিরে পেতে মামলা করতে পারবেন।

থানায়  মামলা : 

থানা পাওনাদারের বিরুদ্ধে এজাহার দায়ের মাধ্যমে আতœসাতের মামলা করতে হবে। পাওনা টাকার দাবীর সাপেক্ষে যে সমস্ত কাগজ পত্র বা যে সমস্ত প্রমাণ আপনার কাছে আছে সে সব কিছু তদন্তকারী অফিসারের নিকট জমা দিতে হবে। যেমন- রশিদ থাকতে পারে-ইত্যাদি যে সমস্ত ডকুমেন্টগুলো আছে সেগুলি নিয়ে যেতে হবে।

আদালতে মামলা :

আদালতে যত মামলা-মোকদ্দমা হয়, তার একটা বড় অংশই পাওনা টাকা আদায়কে কেন্দ্র করে। আদালতে মামলা দায়ের পূর্বে পাওনা টাকার দাবীর সাপেক্ষে যে সমস্ত কাগজ পত্র বা যে সমস্ত প্রমাণ আপনার কাছে আছে সে সব কিছু নিয়ে একজন আইনজীবীর নিকট যেতে হবে। আইনজীবির মাধ্যমে পাওনাদারকে লিগ্যাল নোটিশ দিতে হবে। লিগ্যাল নোটিশে পাওনা টাকা পরিশোধের জন্য কয়েক দিন সময় দিতে হবে। লিগ্যাল নোটিশে দেওয়া উক্ত সময়ের মধ্যে যদি পাওনাদার আপনার পওনা টাকা পরিশোধ করে তাহলেতো ভাল। কিন্তু এই সময়ের মধ্যে যদি উক্ত টাকা পরিশোধ না করে সেক্ষেত্রে পাওনাদারের  বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। এজন্য প্রয়োজনীয় সাক্ষ্য প্রমাণগুলো সাথে নিয়ে যেতে হবে নিকটতস্থ কোর্টে। সেখানে গিয়ে একজন ভাল আইনজীবির মাধ্যমে পাওনাদারের বিরুদ্ধে একটি মানি সুটের মামলা করতে হবে।


Friday, December 2, 2022

এস আলম গ্রুপ ও ইসলামী ব্যাংকের ঋণ অনিয়ম: রিট আবেদন চাইলেন হাইকোর্ট


অনিয়মের মাধ্যমে ইসলামী ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে নাবিল ও এস আলম গ্রুপসহ বিভিন্ন গোষ্ঠীর হাজার হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার ঘটনায় ঋণ আবেদন চেয়েছেন হাইকোর্ট।
ইসলামী ব্যাংকের ঋণ অনিয়ম নিয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন নজরে আনলে আজ বুধবার বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি খিজির হায়াতের বেঞ্চ এ পরামর্শ দেন বলে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির জানান।
গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন নজরে এনে আদেশ প্রার্থনা করলে আদালত রিট করার আবেদন করার পরামর্শ দেন। 

আদালতে তখন রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক ও দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আইনজীবী খুরশিদ আলম খান উপস্থিত ছিলেন।

গত ২৪ নভেম্বর দৈনিক প্রথম আলোতে ইসলামী ব্যাংকে ‘ভয়ংকর নভেম্বর’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, নাবিল গ্রুপের নামে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড থেকে দুই হাজার কোটি টাকা তুলে নিয়েছে একটি অসাধু চক্র। আর আটটি প্রতিষ্ঠানের নামে চলতি বছর সব মিলিয়ে বিভিন্ন উপায়ে ইসলামী ব্যাংক থেকে প্রায় সাত হাজার কোটি টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে। এর বাইরে এস আলম গ্রুপ একাই ৩০ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে বলেও ৩০ নভেম্বর নিউ এজ পত্রিকায় প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।

ইসলামী ব্যাংক থেকে অসাধু চক্রের হাজার কোটি টাকা তুলে নেওয়ার ঘটনায় তদন্ত করে ব্যবস্থা নিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের গর্ভনরকে গত ২৭ নভেম্বর চিঠি দেওয়া হয়। আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াদুদ, আবদুল্লাহ সাদিক এবং গ্রাহক শাইখুল ইসলাম ইমরান ও যায়েদ বিন আমজাদ চিঠি দেন। তারা সবাই ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যম লেনদেন করেন বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।

চিঠিতে আরও বলা হয়, গত ২৪ নভেম্বর প্রথম আলো পত্রিকার অনুসন্ধানী রিপোর্টে উঠে এসেছে, ইসলামী ব্যাংক থেকে নভেম্বরে ২ হাজার ৪৬০ কোটি টাকা অসাধু চক্র তুলে নিয়েছে। এই ধরনের সন্দেহজনক আর্থিক লেনদেনে আমরা সংক্ষুব্ধ ও উদ্বিগ্ন। তাই তদন্তসাপেক্ষে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করার অনুরোধ করা হয় চিঠিতে।


 

Sunday, November 24, 2019

মোবাইল চুরি হলে কি করবেন

মোবাইল হারিয়ে যাওয়া বা চুরি হওয়ার ব্যাপারটা বাংলাদেশে খুবেই সাধারন ব্যাপারে পরিণত হয়েছে। বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষেরই জীবনে একবার হলেও মোবাইল হারাইছে। ঢাকা শহরে তো মোবাইল হারায়নি এমন সংখ্যা খুজেই পাওয়ায় মুশকিল।
মোবাইল হারিয়ে গেলে আমাদের করনীয়।
১। যদি আপনার মোবাইল ফোন চুরি যায় তাহলে যে থানার আওতাধীন এলাকা থেকে আপনার মোবাইল ফোন চুরি হয়েছে, চুরি হওয়া মোবাইলের আইএমইআই নম্বর উল্লেখ পূর্বক সেই থানায় মামলা করুন। আইএমইআই নম্বর উল্লেখ করতে না পারলে বা হারিয়ে ফেললে মোবাইল চুরি হওয়ার সময় মোবাইল ফোনে যে মোবাইল নম্বরটি চালু ছিল, তা উল্লেখ করুন।
২।  যদি আপনার মোবাইল ফোন হারিয়ে যায় তাহলে যে থানার আওতাধীন এলাকা থেকে  আপনার মোবাইল ফোন হারিয়ে গেছে, হারিয়ে যাওয়া মোবাইলের আইএমইআই নম্বর উল্লেখ পূর্বক সেই থানায় সাধারণ ডায়েরী (জিডি) করুন।
৩।  মামলা/ জিডির কপিতে উল্লেখ থাকা পুলিশ অফিসারের সাথে যোগাযোগ রাখুন এবং আপনার মোবাইল ফোনের সর্বশেষ আপডেট জেনে নিন।
৪। মামলা বা জিডির কপিসহ সংশ্লিষ্ট RAB অফিসে যোগাযোগ করতে পারেন।
মোবাইল চুরি বা হারিয়ে গেলে অনেকেই আমরা  মামলা বা জিডি করতে চাই না।
কারণ:
১।  কমদামী মোবাইল
২।  মোবাইলে গুরুত্বপূর্ণ কিছু ছিল না।
৩। মোবাইল চুরি হলে বা হারিয়ে গেলে আর ফিরে পাওয়া য়ায় না।
৪।  জিডি করে কি হবে
৫। থানা / পুলিশ ভালো লাগে না।
৬। ইত্যাদি ইত্যাদি
তবুও মামলা/ জিডি করবেন কেনঃ
১) আপনার মোবাইল ব্যবহার করে কেউ অপকর্ম করলে ওটা যাতে আপনার ঘাড়ে না পড়ে সেজন্যে। আপনার চুরি হওয়া/ হারিয়ে যাওয়া মোবাইল বা মোবাইলে সংরক্ষিত তথ্য ব্যবহার করে কেউ যদি অপকর্ম করে, মামলা/ জিডির কপি দেখিয়ে সেটার দায় থেকে রক্ষা পেতে পারবেন।
২) মোবাইলটি ব্যবহৃত হলে ফিরে পাওয়া সম্ভব।
মেয়েদের জন্যে পরামর্শ:
মোবাইল ফোনে নিজেদের এমন কোন ছবি রাখবেন না যেটা প্রকাশ হওয়াটা আপনার জন্যে ক্ষতিকর হতে পারে।
যারা মোবাইলে ফেসবুক/ ইমেইল/ টুইটার ব্যবহার করেন তাদের জন্য পরামর্শ:
মোবাইল চুরি/ হারিয়ে যাওয়ার সাথে সাথে ফেসবুক পাসওয়ার্ড পাল্টিয়ে আইডি ডিএক্টিভ করে এক্টিভ করুন।

Thursday, November 14, 2019

আম-মোক্তারনামা বা পাওয়ার-অব-এটর্নি কি ?


পাওয়ার অব এটর্নি কি?


- পাওয়ার অব অ্যাটর্নি আইন, ২০১২ অনুযায়ী “পাওয়ার অব অ্যাটর্নি” হল এমন কোন দলিল যার মাধ্যমে কোন ব্যক্তি তার পক্ষে উক্ত দলিলে বর্ণিত কার্য-সম্পাদনের জন্য আইনানুগভাবে অন্য কোন ব্যক্তির নিকট ক্ষমতা অর্পণ করে।
পাওয়ার অব এটর্নি প্রধানত দুই প্রকারঃ
১। অ-প্রত্যাহারযোগ্য পাওয়ার অব এটর্নি; এবং
২। সাধারণ পাওয়ার অব অ্যাটর্নি
অ-প্রত্যাহারযোগ্য পাওয়ার অব এটর্নি স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে,বিক্রয় চুক্তি সম্পাদনের বা ঋণ গ্রহণের বিপরীতে স্থাবর সম্পত্তির বন্ধক প্রদানের জন্য প্রদত্ত অথবা স্থাবর সম্পত্তির বিপরীতে মূল্য গ্রহণের বিনিময়ে ভূমি উন্নয়নসহ উক্ত দলিল সম্পাদনের ক্ষমতা প্রদান করাকেই অ-প্রত্যাহারযোগ্য পাওয়ার অব এটর্নি বলে। এরুপ পাওয়ার অব এটর্নিতে পাওয়ার গ্রহীতার মূল মালিকের ন্যায় প্রায় একই ক্ষমতা থাকে। অ-প্রত্যাহারযোগ্য পাওয়ার অব এটর্নির ক্ষেত্রে পাওয়ার গ্রহীতার মৃত্যু হলে বা আইনগতভাবে দলিল সম্পাদনে অক্ষম হলে উক্ত মৃত বা অক্ষম পাওয়ার গ্রহীতার বৈধ ওয়ারিশ বা স্থলবর্তীর উপর দলিল থেকে সৃস্ট দায় বা অধিকার স্বয়ংক্রিয়ভাবে অর্পিত হবে। উল্লেখ্য,অপ্রত্যাহারযোগ্য পাওয়ার অব
অ্যাটর্নির ক্ষেত্রে রেজিস্ট্রেশনবাধ্যতামূলক ।
*সাধারণ পাওয়ার অব অ্যাটর্নি
- অপ্রত্যাহারযোগ্য পাওয়ার অব অ্যাটর্নি ব্যতিত অন্য যেকোন বিষয়ে সম্পাদিত পাওয়ার অব অ্যাটর্নিই হল সাধারণ পাওয়ার অব এটর্নি ।


পাওয়ার অব এটর্নির অবসান-


নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে পাওয়ার অব অ্যাটর্নির অবসান ঘটবে, যথাঃ-
(ক) কোন নির্দিষ্ট কার্য-সম্পাদনের উদ্দেশ্যে পাওয়ার অব অ্যাটর্নি সম্পাদিত হলে উক্ত কার্য সম্পাদিত হবার পর বা কোন বিশেষ উদ্দেশ্য সাধনের জন্য সেটা সম্পাদিত হইলে উক্ত বিশেষ উদ্দেশ্য অর্জিত বা হাসিল হবার পর;
(খ) কোন নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য পাওয়ার অব অ্যাটর্নি সম্পাদিত হলে, উক্ত মেয়াদ অতিক্রান্ত হবার পর;
(গ) যে বিষয়বস্তুর উপর পাওয়ার অবঅ্যাটর্নি সম্পাদন করা হয় সেই বিষয়বস্তুর বিনাশ বা অস্তিত্বের বিলোপ ঘটলে;
(ঘ) অপ্রত্যাহারযোগ্য পাওয়ার অব অ্যাটর্নি ব্যতিত অন্যান্য পাওয়ার অব অ্যাটর্নির ক্ষেত্রে পাওয়ারদাতা দেউলিয়া বা অপ্রকৃতিস্থ হলে বা মৃত্যুবরণ করলে বা পাওয়ারদাতার আইনী স্বত্বা (legal entity) বিলুপ্ত হইলে ।

Popular Posts