যে কোন আইনগত কাজে সাহায্য প্রদান করায় আমাদের লক্ষ্য।


Showing posts with label News. Show all posts
Showing posts with label News. Show all posts

Wednesday, February 5, 2025

এফিডেভিট (Affidavit) করে এনআইডি-তে নাম সংশোধন



 এফিডেভিট (Affidavit) করে এনআইডি-তে নাম সংশোধনের পদ্ধতি:

যদি আপনার এনআইডি কার্ডের নামের ভুল সংশোধনের জন্য কোনো শিক্ষাগত সনদ, জন্ম নিবন্ধন সনদ, বা অন্য সরকারি নথিতে সঠিক নাম না থাকে, তবে আদালতে এফিডেভিট করে নাম সংশোধন করা যেতে পারে। নিচে ধাপে ধাপে প্রক্রিয়া দেওয়া হলো—

ধাপে ধাপে এফিডেভিট করে নাম সংশোধনের নিয়ম:

১. আ্যডভোকেটের মাধ্যমে এফিডেভিট তৈরি করুন

আপনার এলাকার  অ্যাডভোকেট নোটারি পাবলিক (Notary Public) এর কাছে গিয়ে নাম সংশোধনের এফিডেভিট তৈরি করতে হবে।

✅ এফিডেভিটে যা থাকতে হবে:
 • আপনার পুরাতন ভুল নাম এবং সঠিক নতুন নাম
 • ভুল নামের কারণে যেসব সমস্যা হচ্ছে, তা উল্লেখ করা
 • আপনার এনআইডি নম্বর, জন্ম তারিখ, ঠিকানা ইত্যাদি তথ্য
 • এটি আপনার নিজের দেওয়া হলফনামা হবে, যেখানে আপনি সঠিক নাম ব্যবহার করতে চান বলে ঘোষণা করবেন

✅ কোথায় এফিডেভিট করতে হয়?
 • নোটারি পাবলিক (যেকোনো আদালতে)
 • সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে

২. অনলাইনে আবেদন করুন:

আপনার এনআইডি সংশোধনের জন্য প্রথমে জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন পোর্টালে আবেদন করতে হবে—

🔹 ওয়েবসাইট: services.nidw.gov.bd
🔹 ধাপ:
 1. ওয়েবসাইটে “Apply for Correction” অপশনে ক্লিক করুন।
 2. আপনার ১৭-সংখ্যার এনআইডি নম্বর ও জন্মতারিখ দিয়ে লগইন করুন।
 3. মোবাইলে আসা OTP কোড দিয়ে ভেরিফাই করুন।
 4. সংশোধন করতে চাওয়া “নাম” অপশন সিলেক্ট করুন।
 5. সঠিক তথ্য দিন এবং প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট আপলোড করুন।

৩.  প্রয়োজনীয় কাগজপত্র (Documents Required):

✅ সঠিক নামের প্রমাণ হিসেবে যেকোনো একটি নথি:
 • জন্ম নিবন্ধন সনদ
 • শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ (এসএসসি, এইচএসসি, বা সমমান)
 • পাসপোর্ট (যদি থাকে)
 • আদালতের এফিডেভিট (যদি প্রয়োজন হয়)

✅ অন্যান্য প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট:
 • বিদ্যমান এনআইডি কার্ডের কপি
 • আবেদনকারীর ছবি (প্রয়োজনে)

৪.  আবেদন ফি প্রদান:

✅ সাধারণ নাম সংশোধনের জন্য ফি: ২৩০ টাকা
✅ আর্জেন্ট (জরুরি) সংশোধনের জন্য ফি: ৩৪৫ টাকা

ফি প্রদান করতে পারবেন নগদ, বিকাশ, রকেট, অথবা ব্যাংক মাধ্যমে।

৫. অফিসে গিয়ে বায়োমেট্রিক ভেরিফিকেশন দিন (যদি প্রয়োজন হয়):

আবেদনের পর নির্বাচন কমিশনের সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা অফিসে গিয়ে বায়োমেট্রিক ভেরিফিকেশন এবং আসল কাগজপত্র জমা দিতে হতে পারে।

৬. সংশোধিত এনআইডি সংগ্রহ করুন:

সংশোধনের অনুমোদন হয়ে গেলে ওয়েবসাইট থেকে নতুন এনআইডি কার্ড ডাউনলোড করতে পারবেন।

কত দিনে সংশোধন হবে?

সাধারণত ১৫-৩০ কর্মদিবসের মধ্যে সংশোধন হয়ে যায়। তবে জরুরি আবেদন করলে ৭-১০ দিনের মধ্যে পেয়ে যেতে পারেন।

আপনার প্রয়োজনে আরো বিস্তারিত তথ্যের জন্য নির্বাচন কমিশন অফিসে (EC Office) যোগাযোগ করতে পারেন।

Tuesday, February 4, 2025

ফোন ছিনতাই হলে আপনার করনীয়

 


আপনার ফোন ছিনতাই হলে দ্রুত নিচের পদক্ষেপগুলো নিন—


১. সরাসরি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানান

 • ৯৯৯ নম্বরে কল করে পুলিশকে ঘটনাটি জানান।

 • নিকটস্থ থানায় গিয়ে সাধারণ ডায়েরি (GD) করুন। এতে ফোনের IMEI নম্বর, মডেল, এবং ছিনতাইয়ের স্থান ও সময় উল্লেখ করুন।


২. ফোন ট্র্যাক করার চেষ্টা করুন

 • Find My Device (Android): Google Find My Device ওয়েবসাইটে গিয়ে আপনার ফোন লোকেট করুন বা লক করুন।

 • Find My iPhone (Apple): iCloud-এ লগ ইন করে “Find My iPhone” থেকে ফোন ট্র্যাক করুন বা ডাটা মুছে ফেলুন।


৩. সিম কার্ড ব্লক করুন

 • আপনার মোবাইল অপারেটরের কাস্টমার কেয়ারে কল করে সিমটি বন্ধ করুন এবং নতুন সিম তুলুন।


৪. ব্যাংক ও সামাজিক মাধ্যম সুরক্ষিত করুন

 • যদি ফোনে বিকাশ, নগদ, ব্যাংকিং অ্যাপ থাকে, তাহলে দ্রুত এগুলোর পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করুন।


 • Facebook, Gmail, WhatsApp, etc.-এর পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করুন বা লগআউট করুন।


৫. IMEI নম্বর দিয়ে ট্র্যাকিংয়ের আবেদন করুন

 • বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (BTRC)-এর মাধ্যমে ফোন ট্র্যাকিংয়ের আবেদন করা যায়।


 • BTRC-এর “National Equipment Identity Register (NEIR)” সিস্টেমে গিয়ে ফোন ব্লক করার অনুরোধ করতে পারেন।


⚠ টিপস:

 • ফোন ছিনতাইকারীর সঙ্গে কোনোভাবেই যোগাযোগ করার চেষ্টা করবেন না।

       • সবসময় ফোনের IMEI নম্বর সংরক্ষণ করে রাখুন (Dial *#06#)।

 • স্ক্রিন লক, ফিঙ্গারপ্রিন্ট/পাসওয়ার্ড ব্যবহার করুন।


দ্রুত পদক্ষেপ নিলে আপনার ফোন ফিরে পাওয়ার সম্ভাবনা থাকলো এবং ব্যক্তিগত তথ্য রক্ষা করা সহজ হবে।

Saturday, May 18, 2024

বিচারের মূর্তির ওপর দাঁড়িপাল্লা ও চোখ বাঁধার অর্থ কী?


ন্যায়বিচারের মূর্তির উপর দাঁড়িপাল্লা এবং চোখ বাঁধা আইনী ব্যবস্থার নিরপেক্ষতা এবং ন্যায্যতার প্রতীক। দাঁড়িপাল্লা প্রমাণের ওজন এবং প্রতিযোগী স্বার্থের ভারসাম্যের প্রতিনিধিত্ব করে, যখন চোখ বাঁধা নির্দেশ করে যে পক্ষপাত বা কুসংস্কার ছাড়াই ন্যায়বিচার পরিচালনা করা উচিত। এই আইকনিক চিত্রকল্পটি এই ধারণাটি বোঝানোর জন্য যে ন্যায়বিচারটি পক্ষপাতিত্ব বা বৈষম্য ছাড়াই বস্তুনিষ্ঠভাবে করা উচিত।

Sunday, May 12, 2024

কোনো সন্তান বাবা-মাকে ভরণপোষণ না দিলে তাদের বিরুদ্ধে কি কি আইনি ব্যবস্থা নিতে পারবে

 


কী আছে আইনে

আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে সাধারণত বাবা-মায়ের ভরণপোষণের জন্য ছেলে সন্তানকে দায়বদ্ধ ভাবা হয়। তবে 'পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ আইন ২০১৩' অনুসারে, 'সন্তান বলতে বাবার ঔরসে এবং মায়ের গর্ভে জন্ম নেওয়া সক্ষম ও সামর্থ্যবান পুত্র বা কন্যাকে বুঝাবে।

'পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ আইন ২০১৩' এর ধারা ৩ এ প্রত্যেক সন্তানকে তার বাবা-মায়ের ভরণপোষণ নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে। যদি কোনো বাবা-মায়ের একাধিক সন্তান থাকে তবে সন্তানরা নিজেদের মধ্যে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে বাবা-মার ভরণপোষণ নিশ্চিত করবেন।এই আইনে বাবা-মার ভরণপোষণ নির্বিঘ্ন করার জন্য প্রত্যেক সন্তানকে বাবা-মায়ের সঙ্গে একই স্থানে বসবাস করার কথা বলা হয়েছে। কোনো সন্তান তার বাবা বা মাকে বা দুজনকেই ইচ্ছার বিরুদ্ধে বৃদ্ধনিবাস বা অন্য কোথাও একসঙ্গে বা আলাদা আলাদাভাবে বসবাস করতে বাধ্য করতে পারবেন না। 

এই আইনে বিচার ও শাস্তি

আইনটির ধারা ৬ ও ৭ এ বলা হয়েছে, কোনো সন্তান যদি 'পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ আইন ২০১৩' এর কোনো বিধান আমান্য করেন এবং ওই সন্তানের বাবা বা মা লিখিত অভিযোগ যদি সরাসরি প্রথম শ্রেণীর জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে করে থাকেন তবে ওই আদালতে অপরাধের বিচার হবে।

এই আইনের অধীনে সংঘটিত অপরাধ আমলযোগ্য, জামিনযোগ্য ও আপসযোগ্য। তবে কোনো আদালত অপরাধে সংশ্লিষ্ট সন্তানের বাবা বা মায়ের লিখিত অভিযোগ ছাড়া অপরাধ আমলে গ্রহণ করবেন না। এই আইনে আপস-নিষ্পত্তির ধারাও সংযুক্ত করা হয়েছে। 

'পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ আইন, ২০১৩' এর ধারা ৫(১) অনুসারে, কোনো সন্তান বাবা-মায়ের ভরণপোষণ না করলে, তিনি অনূর্ধ্ব ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন বা এই অর্থদণ্ড অনাদায়ের ক্ষেত্রে অনূর্ধ্ব ৩ মাস কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

কোনো সন্তানের স্ত্রী বা স্বামী কিংবা পুত্র-কন্যা বা অন্য কোনো নিকট আত্মীয় বাবা-মায়ের বা দাদা-দাদির বা নানা-নানির ভরণপোষণ দেওয়ায় বাধা দিলে বা অসহযোগিতা করলে তিনিও ধারা ৫(১) অনুসারে দণ্ডিত হবেন।   

Friday, May 10, 2024

পাওনা টাকা কিভাবে আদায় করবেন।


পাওনা টাকা আদায়ের আইনগত কৌশল:

লিগ্যাল নোটিশ : পাওনা টাকা আদায়ে প্রাথমিকভাবে আপনি আইনজীবীর মাধ্যমে লিগ্যাল নোটিশ পাঠিয়ে নির্দিষ্ট সময় দিয়ে আপনার পাওনা টাকা চাইতে পারেন। 

পাওনা টাকা ফেরত না দিলে দেওয়ানি ও ফৌজদারি উভয় আদালতেই আশ্রয় নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। দেওয়ানি আদালতের আশ্রয় নিতে হলে মানি মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে। তবে এক্ষেত্রে দাবি করা টাকার অনুপাতে কোর্ট ফি দাখিল করতে হয়। 

ফৌজদারি আদালতে আশ্রয় নিতে হলে প্রতারণা এবং অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগ এনে সিআর (নালিশি) মামলা দায়ের করা যায়। এছাড়া থানায় এজাহার হিসেবেও মামলা দায়েরের সুযোগ রয়েছে। আদালতে সরাসরি মামলা দায়ের করলে আদালত জবানবন্দি নিয়ে সরাসরি সমন বা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করতে পারেন। অনেক ক্ষেত্রে সরাসরি আমলে না নিয়ে পুলিশ বা অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানকে প্রাথমিকভাবে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলতে পারে। এ প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে আদালত আমল গ্রহণ করে আদেশ দেন। ফৌজদারি আদালতে মামলা হলে দায়ী ব্যক্তি জামিন না-ও পেতে পারেন। অনেক সময় দেখা যায়, দেনাদার টাকা পরিশোধ করার সময় চেকে প্রদান করে থাকেন কিন্তু চেকটি ব্যাংকে নগদায়নের জন্য জমা দিলে চেকটি ডিজঅনার হয়। সে ক্ষেত্রে তাঁর বিরুদ্ধে চেক ডিজঅনারের অভিযোগে মামলা দায়ের করার সুযোগ রয়েছে।

টাকা ধার দেওয়ার সময় যা করবেন :

প্রয়োজনে যদি টাকা ধার দিতেই হয়, তাহলে যতই আপনজন হোক না কেন, তাঁর সঙ্গে আপনি একটি লিখিত চুক্তি করে নিন। ৩০০ টাকার নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে একটি চুক্তি করে নিন এবং এই চুক্তিতে কী কারণে কত টাকা ধার দিলেন, তা স্পস্ট করে উল্লেখ করতে হবে। কবে অপর পক্ষ টাকা ফেরত দেবে এবং পুরোটা একসঙ্গে না কিস্তিতে পরিশোধ করবে, তা উল্লেখ করতে হবে। যদি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে টাকা ফেরত না দেয়, তবে তাঁর বিরুদ্ধে আইনি আশ্রয় নেওয়ার সুযোগ থাকবে। বিষয়টা স্ট্যাম্প কাগজে উল্লেখ করা দরকার। মনে রাখতে হবে, চুক্তিপত্রটি যেন আইন অনুযায়ী সম্পাদিত হয়। এছাড়া চুক্তিটি নোটারি বা প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট দ্বারা সত্যায়িত করে নিতে হবে। চুক্তিপত্র সম্পাদনের সময় সাক্ষী হিসেবে রাখুন কয়েকজনকে। নির্দিষ্ট পরিমান টাকা উল্লেখ করে তার নিজের সাক্ষর করা একটি ব্যাংক চেক ও রাখতে পারেন।

স্থানীয় শালিশ বিচারের আশ্রয় :

আপনি এ ব্যপারে প্রথমে গ্রাম্য আদালতে অভিযোগ করবেন কিংবা এলাকার মাতব্বর/মুরুব্বীদেরকে জানিয়ে তাদের আপনার বৈধ কাগজ দেখিয়ে পাওনা টাকা আদায়ের দেয়ার আহ্বান করতে পারেন। এক্ষেত্রে গ্রাম্য আদালত কিংবা মাতব্বর/মুরুব্বীরা আপনাকে এবং পাওনাদারকে ডেকে বৈঠকের মাধ্যমে একটি সিদ্ধান্তে আসতে পারেন। তবে অনেক ক্ষেত্রেই যারা প্রভাবশালী, তার প্রভাবের কাছে স্থানীয় বিচার টিকেনা, এক্ষেত্রে যদি বৈঠকের সিদ্ধান্ত আপনার পক্ষে না যায় তবে হতাশ হবেন না। আপনার উপর কেউ কোন সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দিতে পারবে না। বৈঠকের সিদ্ধান্ত আপনি যদি না মানেন তবে তাদের পরিষ্কার করে বলে দিবেন যে আমি আপনাদের সিদ্ধান্তে খুশি হতে পারছিনা ফলে আমি আদালতে আইনের শরণাপন্ন হবেন। আইন ও আদালত আপনার পাওনা টাকা ফিরে পেতে আপনাকে যথেষ্ট প্রতিকার দিচ্ছে। এক্ষেত্রে আপনি ফৌজদারী আদালত অথবা দেওয়ানী আদালত দুই আদালতেই আপনার পাওনা টাকা ফিরে পেতে মামলা করতে পারবেন।

থানায়  মামলা : 

থানা পাওনাদারের বিরুদ্ধে এজাহার দায়ের মাধ্যমে আতœসাতের মামলা করতে হবে। পাওনা টাকার দাবীর সাপেক্ষে যে সমস্ত কাগজ পত্র বা যে সমস্ত প্রমাণ আপনার কাছে আছে সে সব কিছু তদন্তকারী অফিসারের নিকট জমা দিতে হবে। যেমন- রশিদ থাকতে পারে-ইত্যাদি যে সমস্ত ডকুমেন্টগুলো আছে সেগুলি নিয়ে যেতে হবে।

আদালতে মামলা :

আদালতে যত মামলা-মোকদ্দমা হয়, তার একটা বড় অংশই পাওনা টাকা আদায়কে কেন্দ্র করে। আদালতে মামলা দায়ের পূর্বে পাওনা টাকার দাবীর সাপেক্ষে যে সমস্ত কাগজ পত্র বা যে সমস্ত প্রমাণ আপনার কাছে আছে সে সব কিছু নিয়ে একজন আইনজীবীর নিকট যেতে হবে। আইনজীবির মাধ্যমে পাওনাদারকে লিগ্যাল নোটিশ দিতে হবে। লিগ্যাল নোটিশে পাওনা টাকা পরিশোধের জন্য কয়েক দিন সময় দিতে হবে। লিগ্যাল নোটিশে দেওয়া উক্ত সময়ের মধ্যে যদি পাওনাদার আপনার পওনা টাকা পরিশোধ করে তাহলেতো ভাল। কিন্তু এই সময়ের মধ্যে যদি উক্ত টাকা পরিশোধ না করে সেক্ষেত্রে পাওনাদারের  বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। এজন্য প্রয়োজনীয় সাক্ষ্য প্রমাণগুলো সাথে নিয়ে যেতে হবে নিকটতস্থ কোর্টে। সেখানে গিয়ে একজন ভাল আইনজীবির মাধ্যমে পাওনাদারের বিরুদ্ধে একটি মানি সুটের মামলা করতে হবে।


Popular Posts