ব্যারিস্টার সুমন সমর্থন জানালেন শিক্ষানবিশ আইনজীবীদের আন্দোলনকে
সোমবার (১১ নভেম্বর) সকাল থেকে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সমিতি ভবনের সামনে ৫ দফা দাবিতে আমরণ অনশনে বসেছে শিক্ষানবিশ ও নবীন আইনজীবীরা। তাদের এই আন্দোলনকে সমর্থন জানিয়েছেন সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার সায়েদুল হক সুমন। শিক্ষানবিশ আইনজীবীদের অনশন কর্মসূচীতে অংশগ্রহণ করে নিজের সমর্থনের কথা জানান এই আইনজীবী। ১১ নভেম্বর সুপ্রিমকোর্ট প্রাঙ্গনে আন্দোলনরত আইনজীবীদের সাথে দেখা করে তিনি বলেন, ‘আপনাদের এই আন্দোলনকে আমরা ধারণ করি। যে কোনো মানুষ যখন অত্যাচারিত হয়, নিপীড়িত হয়, তার পাশে দাঁড়াতে হয়।’ শিক্ষানবিশ আইনজীবীদের প্রতি সমর্থন জানিয়ে ব্যারিস্টার সুমন আরও বলেন, ‘এই ছেলেগুলার কিংবা মেয়েগুলার এখনো জীবনই শুরু হয় নাই, জীবন শুরু করতেই যদি এদের পাঁচ বছর লেগে যায়, আর এরা যদি মনে করে এই পাঁচ বছর সময় লাগাটা অন্যায়, এদের প্রতি নির্যাতন ও নিপীড়ন হচ্ছে, তাহলে মনে রাইখেন, আপনারা যারা এদের প্রতি অন্যায় করতেছেন, এটা আমার কথা না, এটা ইতিহাসের কথা, নির্যাতন যদি আপনারা তাদেরকে করেন, আপনাদের কপালেও কোনো না কোনো সময় নির্যাতন লেখা আছে।’ উল্লেখ্য, শিক্ষানবিশ আইনজীবীদের ৫ দফা দাবিগুলো হলো−
১. অবিলম্বে চলতি বছরের এনরোলমেন্ট পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করা। ২. লিখিত পরীক্ষায় আধুনিক প্রযুক্তির ও এমআর শিট সংযোজন করা হোক। ৩. লিখিত পরীক্ষার খাতা সব বিচারককে দেখার ব্যবস্থা করতে হবে। এমসিকিউ, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা ৬ মাসের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে। ৪. লিখিত পরীক্ষার খাতা রিভিউ করার সুযোগ দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। ৫. অবিলম্বে ২০১৭ সালের সুপ্রিম কোর্টের রায় কার্যকরীকরণ পূর্বক প্রতিবছর এনরোলমেন্ট পরীক্ষা নিতে হবে।
সোমবার (১১ নভেম্বর) সকাল থেকে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সমিতি ভবনের সামনে ৫ দফা দাবিতে আমরণ অনশনে বসেছে শিক্ষানবিশ ও নবীন আইনজীবীরা। তাদের এই আন্দোলনকে সমর্থন জানিয়েছেন সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার সায়েদুল হক সুমন। শিক্ষানবিশ আইনজীবীদের অনশন কর্মসূচীতে অংশগ্রহণ করে নিজের সমর্থনের কথা জানান এই আইনজীবী। ১১ নভেম্বর সুপ্রিমকোর্ট প্রাঙ্গনে আন্দোলনরত আইনজীবীদের সাথে দেখা করে তিনি বলেন, ‘আপনাদের এই আন্দোলনকে আমরা ধারণ করি। যে কোনো মানুষ যখন অত্যাচারিত হয়, নিপীড়িত হয়, তার পাশে দাঁড়াতে হয়।’ শিক্ষানবিশ আইনজীবীদের প্রতি সমর্থন জানিয়ে ব্যারিস্টার সুমন আরও বলেন, ‘এই ছেলেগুলার কিংবা মেয়েগুলার এখনো জীবনই শুরু হয় নাই, জীবন শুরু করতেই যদি এদের পাঁচ বছর লেগে যায়, আর এরা যদি মনে করে এই পাঁচ বছর সময় লাগাটা অন্যায়, এদের প্রতি নির্যাতন ও নিপীড়ন হচ্ছে, তাহলে মনে রাইখেন, আপনারা যারা এদের প্রতি অন্যায় করতেছেন, এটা আমার কথা না, এটা ইতিহাসের কথা, নির্যাতন যদি আপনারা তাদেরকে করেন, আপনাদের কপালেও কোনো না কোনো সময় নির্যাতন লেখা আছে।’ উল্লেখ্য, শিক্ষানবিশ আইনজীবীদের ৫ দফা দাবিগুলো হলো−
১. অবিলম্বে চলতি বছরের এনরোলমেন্ট পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করা। ২. লিখিত পরীক্ষায় আধুনিক প্রযুক্তির ও এমআর শিট সংযোজন করা হোক। ৩. লিখিত পরীক্ষার খাতা সব বিচারককে দেখার ব্যবস্থা করতে হবে। এমসিকিউ, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা ৬ মাসের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে। ৪. লিখিত পরীক্ষার খাতা রিভিউ করার সুযোগ দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। ৫. অবিলম্বে ২০১৭ সালের সুপ্রিম কোর্টের রায় কার্যকরীকরণ পূর্বক প্রতিবছর এনরোলমেন্ট পরীক্ষা নিতে হবে।

No comments:
Post a Comment