চেক ডিজঅনার হওয়া:
চেকে উল্লিখিত অংকের টাকা একাউন্টে না থাকলে ব্যাংকের পক্ষে টাকা দেয়া সম্ভব হয় না এবং চেক প্রত্যাখ্যান করা হয়, যা চেক ডিজঅনার হওয়া নামে পরিচিত।
চেকে উল্লিখিত অংকের টাকা একাউন্টে না থাকলে ব্যাংকের পক্ষে টাকা দেয়া সম্ভব হয় না এবং চেক প্রত্যাখ্যান করা হয়, যা চেক ডিজঅনার হওয়া নামে পরিচিত।
কিভাবে চেক ডিজনার করবেনঃ
কেউ যদি আপনাকে নির্দিষ্ট পরিমান টাকার কোন চেক ব্যাংক থেকে নগদায়ন করতে বলে ,কিন্তু আপনি ব্যাংকে যেয়ে দেখেন সেই পরিমান টাকা প্রদানকারীর হিসাবে নাই, তাহলে আপনি ইচ্ছা করলে চেকটি ডিজনার করতে পারেন। সেজন্য আপনাকে ব্যাংক কর্মকর্তাকে বলতে হবে চেকটি ডিজনার করে দেওয়ার জনয,তখন ব্যাংক কর্মকর্তা নিম্নের কারন দেখিয়ে চেকটি ডিজনার করে দিতে পারেন।
যে সব কারণে চেকের ডিজনার হতে পারে সেগুলো হচ্ছে:

১।অপযার্প্ত তহবিল
২।অংক সংখ্যায় ও কথায় মিলে না
৩।চেক মেয়াদোত্তীর্ণ হলে
৪।প্রদানকারীর সাক্ষর মিলে না
৫।প্রদানকারী থেকে পরিশোধ বন্ধ করা হয়েছে
৬।রেখাঙ্গিত চেক, কোন ব্যাংকের মাধ্যমে প্রদেয়
৭।প্রাপকের পুষ্ঠাঙ্কন আবশ্যক
৮।অন্য সুনিদিষ্ট কারন যা উপরে উল্লেখ নাই।
এ ছাড়া আরো অনেক কারণে চেক প্রত্যাখ্যাত (বাউন্স) হতে পারে। যে সব কারণে চেক প্রত্যাখ্যাত হতে পারে তার একটি ছাপানো রশিদ প্রতিটি ব্যাংকে থাকে। যে কারণে চেকটি প্রত্যাখ্যাত হলো তা চিহ্নিত করে ওই স্লিপসহ চেকটি প্রাপকের কাছে ব্যাংক ফেরত পাঠায়। উল্লেখ্য, শুধু তহবিল অপর্যাপ্ততার কারণে চেক প্রত্যাখ্যাত হলে তা এই আইনের আওতায় পড়ে।
যা মনে রাখবেন
১।চেকে দেওয়া তারিখ থেকে ৬ মাসের ভিতরে আপনাকে চেকটি ডিজনার করাতে হবে
২।ডিজনার করার ৩০ দিনের ভিতর লিগ্যাল নোটিশ না পাঠালে আবার ডিজনার করতে পারবেন।
৩। ১ বার ডিজনার করেই লিগ্যাল নোটিশ পাঠাতে পারবেন
যথাসময়ে মামলা দায়ের করতে না পারলে
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নেগোশিয়েবল ইনস্ট্রুমেন্ট অ্যাক্টের অধীনে মামলা দায়ের করতে না পারলে দন্ডবিধির ৪০৬ এবং ৪২০ ধারা অনুসারে ফৌজদারী মামলা দায়ের করা যায়। তবে এক্ষেত্রে টাকা ফেরত পাওয়ার সুযোগ নেই। দোষী সাব্যস্ত হলে ৭ বছর পর্যন্ত কারাদন্ড এবং জরিমানা হতে পারে।
মামলা করা:
এ ধরনের মামলা একজনের পক্ষে আরেকজন করতে পারেন না। যে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে চেক দেয়া হয়েছে কেবল তিনিই মামলা করতে পারেন। মামলা করার ক্ষেত্রে তারিখ খুব গুরুত্বপূর্ণ, চেক ডিজঅনার হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে নোটিশ পাঠাতে হয়। নোটিশ পাঠিয়ে ১৫ দিন অপেক্ষা করতে হয়। এরপর ৩০ দিনের মধ্যে মামলা করতে হয়।
এ ধরনের মামলা একজনের পক্ষে আরেকজন করতে পারেন না। যে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে চেক দেয়া হয়েছে কেবল তিনিই মামলা করতে পারেন। মামলা করার ক্ষেত্রে তারিখ খুব গুরুত্বপূর্ণ, চেক ডিজঅনার হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে নোটিশ পাঠাতে হয়। নোটিশ পাঠিয়ে ১৫ দিন অপেক্ষা করতে হয়। এরপর ৩০ দিনের মধ্যে মামলা করতে হয়।
No comments:
Post a Comment